খুলনার কয়রা উপজেলার উত্তর মদিনাবাদ এলাকায় এক মাদরাসা পড়ুয়া শিশুকে (৬) হাত-পা বেঁধে এবং মুখে কস্টেপ লাগিয়ে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় একটি মসজিদের মোয়াজ্জিনের বিরুদ্ধে।
অভিযুক্তের নাম মেহেদি হাসান, যিনি উত্তর মদিনাবাদ আহলে বাইত জামে মসজিদের মোয়াজ্জিন হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের গোলখালী গ্রামের বাসিন্দা।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি মক্তবে পড়াশোনা করে। ঘটনার দিন অভিযুক্ত মেহেদি হাসান শিশুটিকে একা পেয়ে তার হাত-পা বেঁধে ফেলে এবং চিৎকার যাতে করতে না পারে সেজন্য মুখে টেপ লাগিয়ে দেয়। এরপর সে শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
সমঝোতার চেষ্টা ও অভিযোগ ভুক্তভোগী শিশুর পিতার অভিযোগ, ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর মসজিদ কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা না নিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে। অভিযোগ উঠেছে, অভিযুক্ত মেহেদি হাসানকে পুলিশের হাতে তুলে না দিয়ে তাকে এলাকা থেকে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়ে একটি 'সমঝোতা'র চেষ্টা চালাচ্ছে মসজিদ কমিটি।
বর্তমান পরিস্থিতি ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর থেকে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।
অপরাধীকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তবে অভিযুক্ত পলাতক থাকায় তার পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এই বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ এবং অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবারটি।
সতর্কবার্তা এই ধরণের ঘটনায় স্থানীয় পর্যায়ে সালিশ বা সমঝোতা করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। ভুক্তভোগী পরিবারকে দ্রুত আইনি সহায়তা নিতে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
সবশেষ খবর সবার আগে পেতে Bnc news-এর সাথেই থাকুন। নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের bncbd.com ভিজিট করুন।
