ফ্যামিলি কার্ডে ব্যয় ১ লাখ ৩৪ হাজার কোটি টাকা
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে পরীক্ষামূলকভাবে প্রকল্পটির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নারীপ্রধান পরিবারগুলোর জন্য এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা বৈঠকে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, এটি কেবল একটি সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি নয়, বরং একটি মানবিক উদ্যোগ। তিনি জানান, প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অর্থ বাজেটে সংস্থান করা হবে।
চলতি অর্থবছরের জুন পর্যন্ত ৮৬ হাজার পরিবারকে কার্ড প্রদানের জন্য প্রায় ৮৬ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। এর মধ্যে ৬৬ শতাংশ সরাসরি নগদ সহায়তা হিসেবে বিতরণ করা হবে এবং বাকি ৩৪ শতাংশ প্রশাসনিক ব্যয়ে ব্যবহৃত হবে। ইতোমধ্যে ৩৭ হাজার পরিবার এ কর্মসূচির আওতায় কার্ড পেয়েছে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৪১ লাখ, ২০২৭-২৮ অর্থবছরে ৮১ লাখ, ২০২৮-২৯ অর্থবছরে ১ কোটি ২১ লাখ এবং ২০২৯-৩০ অর্থবছরে ১ কোটি ৬১ লাখ পরিবারকে এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।
অর্থনীতিবিদ সেলিম রায়হান বলেন, উদ্যোগটি প্রশংসনীয় হলেও অর্থের টেকসই উৎস নিশ্চিত করা জরুরি। পাশাপাশি প্রকৃত উপকারভোগী নির্বাচনেও সতর্কতা প্রয়োজন। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সরকার ইতোমধ্যে সারাদেশে জরিপের মাধ্যমে উপকারভোগী বাছাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু করেছে এবং তদারকির জন্য কেন্দ্র ও মাঠপর্যায়ে পৃথক কমিটি গঠন করেছে।
সবশেষ খবর সবার আগে পেতে Bnc news-এর সাথেই থাকুন। নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের bncbd.com ভিজিট করুন।
.jpg)

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন