শিরোনাম ::
শিরোনাম ::

মওলানা ভাসানীর সেই বজ্রকণ্ঠ আজও প্রাসঙ্গিক পানির ন্যায্য হিস্যার সংগ্রাম চলবেই

প্রকাশঃ
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...
আজ ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস। ১৯৭৬ সালের এই দিনে মজলুম জননেতা -এর নেতৃত্বে ফারাক্কা বাঁধ অভিমুখে লাখো মানুষের ঐতিহাসিক লংমার্চ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। পানির ন্যায্য হিস্যার দাবিতে উচ্চারিত সেই আন্দোলন আজও দেশের নদী ও পানির অধিকার রক্ষার সংগ্রামে অনুপ্রেরণা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ফারাক্কা দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশবাদী সংগঠন মওলানা ভাসানীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছে। একইসঙ্গে গঙ্গা, তিস্তা ও অন্যান্য অভিন্ন নদীর পানিবণ্টনে বাংলাদেশের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিতের দাবি পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।

Bnc News -এর অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের পর থেকে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল থেকে দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকায় নদীভাঙন, খরা, বন্যা ও পরিবেশগত সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। বর্ষা মৌসুমে অনিয়ন্ত্রিত পানির প্রবাহে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিলেও শুষ্ক মৌসুমে পানির তীব্র সংকটে কৃষি, মৎস্য ও জনজীবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দেশের বহু নদী নাব্যতা হারিয়ে মৃতপ্রায় অবস্থায় পৌঁছেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ১৯৭৭ সালে গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ বারবার তার প্রত্যাশিত পানির হিস্যা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। বিশেষ করে গঙ্গা ও তিস্তা নদীতে ভারতের একতরফা পানি প্রত্যাহার দেশের পরিবেশ, কৃষি উৎপাদন ও জীববৈচিত্র্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

ফারাক্কা দিবসে বিভিন্ন মহল থেকে গঙ্গা, তিস্তা ও অন্যান্য অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিতের দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন বাঁধ ও পানি প্রত্যাহারের কারণে বাংলাদেশের যে পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়েছে, তার উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ আদায় এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে কার্যকর কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

ফারাক্কা দিবস উপলক্ষে নদী ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার আন্দোলন অব্যাহত রাখার অঙ্গীকারও ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

সবশেষ খবর সবার আগে পেতে Bnc news-এর সাথেই থাকুন। নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের bncbd.com ভিজিট করুন।

×

এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00 0%

একটি মন্তব্য করুন