মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে -এর সাম্প্রতিক বক্তব্যের পর। তার ভাষণের জেরে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে , যেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও -এর বিরুদ্ধে ‘বিধ্বংসী’ হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তেলআবিবকে লক্ষ্য করে একাধিক দফায় হামলা চালানোর দাবি করেছে তেহরান।
আলজাজিরা-র এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইসরাইলি সামরিক বাহিনী নিশ্চিত করেছে যে ইরান থেকে তাদের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে নতুন করে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে এবং হামলা প্রতিহত করার চেষ্টা চলছে।
অন্যদিকে, ইরানের শক্তিশালী সামরিক বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা তেলআবিব ও ইলাত অঞ্চলে ইসরাইলের সামরিক ঘাঁটি এবং সামরিক শিল্প স্থাপনাগুলোতে সফলভাবে হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় ইসরাইলি বাহিনীর উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।
এদিকে, ইরানের প্রেসিডেন্ট যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ নাগরিকদের উদ্দেশে একটি খোলা চিঠি দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত ওই চিঠিতে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এই যুদ্ধনীতি আদৌ “আমেরিকা ফার্স্ট” নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না। -এর বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।
চিঠিতে তিনি সরাসরি মার্কিন জনগণের কাছে জানতে চান, এই সংঘাতের মাধ্যমে তাদের কী বাস্তব স্বার্থ অর্জিত হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, আধুনিক ইতিহাসে ইরান কখনো আগ্রাসন বা উপনিবেশবাদী নীতি গ্রহণ করেনি এবং কোনো যুদ্ধের সূচনা করেনি।
তিনি আরও বলেন, ইরানকে একটি হুমকি হিসেবে উপস্থাপন করার প্রচেষ্টা মূলত বিশ্ব রাজনীতির ক্ষমতাধর গোষ্ঠীর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থের ফল। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতিকে তিনি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেন।
ইরানের দাবি, উপসাগরীয় অঞ্চলে তাদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলাগুলো আত্মরক্ষার অংশ হিসেবেই পরিচালিত হচ্ছে, যা চলমান উত্তেজনাকে আরও জটিল করে তুলছে।
